Message: Return type of CI_Session_files_driver::open($save_path, $name) should either be compatible with SessionHandlerInterface::open(string $path, string $name): bool, or the #[\ReturnTypeWillChange] attribute should be used to temporarily suppress the notice
Message: Return type of CI_Session_files_driver::close() should either be compatible with SessionHandlerInterface::close(): bool, or the #[\ReturnTypeWillChange] attribute should be used to temporarily suppress the notice
Message: Return type of CI_Session_files_driver::read($session_id) should either be compatible with SessionHandlerInterface::read(string $id): string|false, or the #[\ReturnTypeWillChange] attribute should be used to temporarily suppress the notice
Message: Return type of CI_Session_files_driver::write($session_id, $session_data) should either be compatible with SessionHandlerInterface::write(string $id, string $data): bool, or the #[\ReturnTypeWillChange] attribute should be used to temporarily suppress the notice
Message: Return type of CI_Session_files_driver::destroy($session_id) should either be compatible with SessionHandlerInterface::destroy(string $id): bool, or the #[\ReturnTypeWillChange] attribute should be used to temporarily suppress the notice
Message: Return type of CI_Session_files_driver::gc($maxlifetime) should either be compatible with SessionHandlerInterface::gc(int $max_lifetime): int|false, or the #[\ReturnTypeWillChange] attribute should be used to temporarily suppress the notice
পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীদের বিক্ষোভ।
রাজশাহী আদালতে মামলায় হাজিরা দিয়ে বের হয়ে এসে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলমের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন আওয়ামী লীগের একাংশের নেতা-কর্মীরা।
আজ রোববার বেলা দেড়টার দিকে রাজশাহী আদালত চত্বরে ‘বাঘা-চারঘাটের সংসদ সদস্য পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম কর্তৃক আর কত নির্যাতন সইব?’ ব্যানারে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। বাঘা পৌরসভার মেয়র মো. আক্কাছ আলীর নেতৃত্বে এ বিক্ষোভ করা হয়। তিনি আওয়ামী লীগের ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী হয়ে গত নির্বাচনে মেয়র নির্বাচিত হন।
এদিকে আওয়ামী লীগের ওই নেতা-কর্মীদের বিপরীত পাশে অবস্থান নিয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সমর্থকেরাও বিক্ষোভ মিছিল করেন। তবে তাঁদের হাতে কোনো ব্যানার ছিল না। তাঁরা পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নামে বিভিন্ন ধরনের স্লোগান দেন। দুই পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে এ সময় বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য দেয়াল হয়ে ছিলেন। আক্কাছের নেতৃত্বে মামলার আসামি নেতা-কর্মীরা একপাশ দিয়ে মিছিল করেন, অন্য পাশে শাহরিয়ার আলমের সমর্থকেরা মিছিল করেন। তবে শেষ পর্যন্ত তাঁরা মুখোমুখি হননি।
আক্কাছের নেতৃত্বে নেতা-কর্মীরা স্লোগান দিতে থাকেন, ‘রাজপথ ছাড়ি নাই, শেখ হাসিনা ভয় নাই’। একপর্যায়ে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য খায়রুজ্জামান লিটনের নাম ধরেও স্লোগান দেন তাঁরা। আদালত প্রাঙ্গণ থেকে বের হয়ে মিছিলটি আদালত চত্বরের পাশে রাখা বাসের দিকে চলে যায়। আর পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সমর্থকদের মিছিল আদালত প্রাঙ্গণের ভেতরে থেকে যায়।
আদালত থেকে বের হয়েই আক্কাছ আলী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমি বাঘার মেয়র ছিলাম। আবার নির্বাচিত হয়েছি। আমি জেলা আওয়ামী লীগেরও সদস্য। আমাদের অন্তত ১০০ পরিবারের নামে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম সাতটা মামলা দিয়েছেন। মামলাগুলো একেবারেই মিথ্যা, ষড়যন্ত্রমূলক মামলা। প্রতিমন্ত্রী তাঁর লোকজনকে দিয়ে মামলা করিয়েছেন। আমরা আজকে সেই মামলায় হাজিরা দিলাম। প্রতি মাসে কমপক্ষে ছয়-সাতবার বাস ভাড়া করে আসি। মামলার আসামিরা সবাই ছাত্রলীগ, যুবলীগ, আওয়ামী লীগের। এই মিথ্যা মামলাগুলো যেন প্রত্যাহার করা হয়।’
বাঘা-চারঘাটে আগামী নির্বাচনে মনোনয়ন নিয়েও কথা বলেন তিনি। তিনি বলেন, ‘যে মানুষটি শত শত কর্মী-সমর্থকের নামে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করেন, সেই লোককে যদি দলের মনোনয়ন দেওয়া হয়, তাহলে দলের লোকজন কীভাবে মেনে নেবেন? প্রধানমন্ত্রীকে আপনাদের মাধ্যমে জানাতে চাই, তিনিই আমাদের ভরসা। তাঁকে মনোনয়ন দিলে মনে হয় না তাঁর পক্ষে লোকজন কথা বলবেন, সাপোর্ট করবেন, ভোট দেবেন।’
আসামিপক্ষের আইনজীবী জিয়াউর রহমান বলেন, বিভিন্ন ধারায় মোট সাতটি মামলা হয়েছে গত ২০২২ ও ২০২৩ সালে বাঘা ও চারঘাট থানায়। মামলায় আসামি মোট ১১৪ জন। সবাই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। এগুলো রাজনৈতিক প্রতিহিংসার মামলা। তাঁরা আশা করছেন, আদালত থেকে ন্যায়বিচার পাবেন।
জানতে চাইলে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘গত বছর মার্চে আওয়ামী লীগের একটি সম্মেলনে হামলার কারণে আক্কাছকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়। সেই সময় দলের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য এ এইচ এম খায়রুজ্জামান ও দলের রাজশাহী বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন নিজের মুখে স্বীকার করেন। তখন তাঁরা সম্মেলনস্থল ভাঙচুর, বিঘ্ন সৃষ্টি ও দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের কারণে তাঁকে সাময়িক বহিষ্কারের কথা বলেছিলেন। ওই সময় মারধরের কারণে একটি মামলা হয়েছে। এর বাইরে কোনো মামলার বিষয়ে ওয়াকিবহাল না। তাঁকে সাময়িক বহিষ্কার করাটা দলীয় সিদ্ধান্ত। ভবিষ্যতে তাঁকে কী করা হবে, আওয়ামী লীগ সিদ্ধান্ত নেবে। এখানে আমার কোনো কথা নেই।’
দলীয় মনোনয়নের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অন্যান্য যাঁরা মনোনয়নপ্রত্যাশী আছেন, তাঁরা একে অপরকে সহযোগিতা করছেন। আমাকে হেয় করার অপচেষ্টা করছেন তাঁরা। এই কাজ তাঁরা ২০০৮ নির্বাচনের আগে করেছে, ২০১৪ সালে একজন প্রার্থী তাঁর বিরুদ্ধে নির্বাচন করেছেন। ২০১৮ সালে এই মানুষগুলো কোনো সহযোগিতা করেননি। তাই যতই নির্বাচন ঘনিয়ে আসবে, এই কর্মকাণ্ড তাঁরা করার চেষ্টা করবেন। এখানে বিভ্রান্ত হওয়ার কোনো কারণ নেই।’
আদালত প্রাঙ্গণে সমর্থকদের স্লোগানের বিষয়ে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘আজকে আবু সাইদ চাঁদের একটি মামলার হেয়ারিংয়ের (শুনানির) তারিখ আছে। এ কারণে বাদীপক্ষ নিয়ে নির্বাচনী এলাকা থেকে বেশ কিছু লোকজন গেছেন। তাৎক্ষণিকভাবে যখন দেখছে, এ রকম কিছু ঘটছে, তখন তাঁরা তাঁদের অবস্থান জানান দিয়েছেন এমন হতে পারে। আমি ঠিক বেশি কিছু জানি না।’
হোমনায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার চৌরাস্তা মোড় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন ‘নূর আলম স্টোর’ নামের একটি দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অপরাধে সঙ্গীয় পুলিশের ফোর্সের সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম দোকানের মালিক নূরে আলমকে দুই হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। নূরে আলম স্থানীয় আব্দুল লতিফের ছেলে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বেশি দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি করার অপরাধে নূর আলমকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করা আইনত অপরাধ। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযান শেষে তিনি বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও সঠিক মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
হোমনায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার চৌরাস্তা মোড় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন ‘নূর আলম স্টোর’ নামের একটি দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অপরাধে সঙ্গীয় পুলিশের ফোর্সের সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম দোকানের মালিক নূরে আলমকে দুই হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। নূরে আলম স্থানীয় আব্দুল লতিফের ছেলে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বেশি দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি করার অপরাধে নূর আলমকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করা আইনত অপরাধ। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযান শেষে তিনি বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও সঠিক মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
হোমনায় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে অতিরিক্ত দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রির দায়ে এক ব্যবসায়ীকে জরিমানা করা হয়েছে। আজ সোমবার বিকেলে উপজেলার চৌরাস্তা মোড় এলাকায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এই দণ্ড দেওয়া হয়।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, চৌরাস্তা মোড় সংলগ্ন ‘নূর আলম স্টোর’ নামের একটি দোকানে অভিযান চালানো হয়। সেখানে নির্ধারিত দামের চেয়ে বেশি মূল্যে গ্যাস সিলিন্ডার বিক্রির প্রমাণ পায় ভ্রাম্যমাণ আদালত। এ অপরাধে সঙ্গীয় পুলিশের ফোর্সের সহযোগিতায় নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম দোকানের মালিক নূরে আলমকে দুই হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেন। নূরে আলম স্থানীয় আব্দুল লতিফের ছেলে।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, বেশি দামে সিলিন্ডার গ্যাস বিক্রি করার অপরাধে নূর আলমকে দুই হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। জনস্বার্থে এই অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে পণ্য বিক্রি করা আইনত অপরাধ। সাধারণ মানুষের অধিকার রক্ষায় আমাদের এই ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।
অভিযান শেষে তিনি বাজারের অন্যান্য ব্যবসায়ীদেরও সঠিক মূল্যে পণ্য বিক্রির জন্য কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলায় কুমিল্লায় ছাত্রলীগ নেতা মাজহারুল ইসলাম সাকিবকে গ্রেফতার করেছে সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) বিকালে তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গ্রেফতার মাজহারুল ইসলাম সাকিব কুমিল্লা মহানগরীর ২৫নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক এবং দয়াপুর গ্রামের মজিবুর রহমানের ছেলে। কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ সিরাজুল মোস্তফা গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ মডেল থানা পুলিশের এসআই মাহাবুব সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে পদুয়ার বাজার বিশ্বরোড এলাকা থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলার মামলার আসামি ২৫নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মাজহারুল ইসলাম সাকিবকে গ্রেফতার করে। গ্রেফতার মাজহারুল ইসলাম সাকিবকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হবে।
কুমিল্লার বুড়িচংয়ে নাশকতার পরিকল্পনা ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে আওয়ামী লীগ ও যুবলীগের দুই নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান।
পুলিশ সূত্র জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে গত ২৪ ঘণ্টায় বুড়িচং থানা পুলিশ বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে তাদের আটক করে। প্রাথমিক তদন্তে তাদের বিরুদ্ধে নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের পরিকল্পনা এবং সরকারবিরোধী কার্যক্রমে জড়িত থাকার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গ্রেপ্তাররা হলেন বুড়িচং উপজেলার পীরযাত্রাপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের নেতা ও ইউপি সদস্য নেয়ামতউল্লাহ এবং বুড়িচং উপজেলা যুবলীগের নেতা মো. রমিজউদ্দিন।
গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বুড়িচং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফুর রহমান বলেন, নাশকতার পরিকল্পনা ও সরকারবিরোধী কর্মকাণ্ডের অভিযোগে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে। তদন্তের স্বার্থে বিস্তারিত তথ্য এ মুহূর্তে প্রকাশ করা যাচ্ছে না।
তিনি আরো জানান, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এবং যেকোনো ধরনের নাশকতা প্রতিরোধে বুড়িচং থানা পুলিশের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত রয়েছে। এ ধরনের অপরাধে জড়িত কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।
পুলিশ জানায়, তদন্ত শেষে প্রয়োজনে আদালতের মাধ্যমে পরবর্তী আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।
চট্টগ্রামের রাউজানে জানে আলম (৫০) নামে এক যুবদল নেতাকে গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের ৫ নাম্বার ওয়ার্ডের শিকদারবাড়ি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নগরীর একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। জানে আলম উপজেলার পূর্ব গুজরা ইউনিয়নের শিকদার ঘাটা এলাকার মৃত হামদু মিয়ার ছেলে।
জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যায় নিজ বাড়ির সামনে কয়েকজন দুর্বৃত্ত মোটরসাইকেলযোগে এসে জানে আলমকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে পালিয়ে যায়। এতে তিনি বুকে গুলিবিদ্ধ হলে স্থানীয়রা উদ্ধার করে নগরীর একটি হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনার পর এলাকায় থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। তবে কী কারণে এ হত্যাকাণ্ড হয়েছে, তা তাৎক্ষণিকভাবে কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারেনি।
স্থানীয় বিরোধের জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারণা করছেন। তারা জানিয়েছেন, সম্প্রতি তিনি একটি চাঁদাবাজি মামলায় আটক হয়ে কারাভোগ শেষে মুক্তি পান। তবে তিনি রাউজানে গিয়াস উদ্দিন কাদের চৌধুরীর অনুসারী বলে জানা গেছে।
এ বিষয়ে রাউজান থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম রাত ৮টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সহকারী পুলিশ সুপার বেলায়েত হোসেনসহ পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।
উল্লেখ্য, গত ১৬ মাসে রাউজানে ১৯ জন খুন হয়েছেন। এর মধ্যে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ড ছিল ১৩টি। এছাড়া গত ১৬ মাসে গুলি বিনিময়ের ৩২টি ঘটনায় অর্ধশত লোক গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। সর্বশেষ সোমবার সন্ধ্যায় জানে আলম দুর্বৃত্তের গুলিতে নিহত হন।
এর আগে ৫ নভেম্বর কোয়েপাড়া গ্রামে রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। গত ২৫ অক্টোবর তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। পৌরসভার ৯ নাম্বার ওয়ার্ডের চারাবটতল এলাকায় যুবদল নেতা আলমগীর আলমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই ঘটনায় আরও দুজন গুলিবিদ্ধ হন। ৬ জুলাই কদলপুর ইউনিয়নে গুলিতে ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব মো. সেলিম নিহত হন। এ সময় এক যুবদলকর্মী গুলিবিদ্ধ হন। ২২ এপ্রিল সদর ইউনিয়নের ৮ নাম্বার ওয়ার্ডের গাজীপাড়ায় যুবদলকর্মী মো. ইব্রাহীমকে গুলি করে হত্যা করা হয়। একই দিন কদলপুরে একজন অটোরিকশাচালক গুলিবিদ্ধ হন।
গত ১৯ এপ্রিল রাউজানের বাগোয়ানে যুবদল নেতা মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ মানিককে মুখে বন্দুক ঢুকিয়ে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় নিহতের এক সহযোগীও গুলিবিদ্ধ হন। ২৪ জানুয়ারি নোয়াপাড়ায় চাক্তাইয়ের শুঁটকি ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীরকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাগনেও গুলিবিদ্ধ হন।
যশোরের মনিরামপুর উপজেলায় প্রকাশ্যে এক যুবকের মাথায় গুলি করে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। সোমবার (৫ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার ১৭ নম্বর ইউনিয়নের কপালিয়া বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত যুবকের নাম রানা প্রতাপ বৈরাগী। তার বাড়ি যশোরের কেশবপুর উপজেলায়। চরমপন্থি সংগঠনের সঙ্গে তার সম্পর্ক ছিল বলে গোয়েন্দা সূত্রে জানা গেছে। মনিরামপুরের কপালিয়া বাজারে তাঁর একটি বরফ তৈরির কারখানা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি নড়াইল থেকে প্রকাশিত ‘দৈনিক বিডি খবর’ নামের একটি পত্রিকার ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক ছিলেন।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সোমবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে কপালিয়া বাজারে অবস্থানকালে অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা রানা প্রতাপকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। এতে তিনি গুরুতর আহত হয়ে ঘটনাস্থলেই লুটিয়ে পড়েন। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার আগেই তার মৃত্যু হয়।
এদিকে ঘটনার পরপরই কপালিয়া বাজারসহ আশপাশের এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। খবর পেয়ে মনিরামপুর থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। পুলিশ নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের প্রস্তুতি নিচ্ছে।
মনিরামপুর থানার ওসি রজিউল্লাহ খান ঘটনা নিশ্চিত করে জানান, সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে কপালিয়া বাজারে ছিলেন রানা প্রতাপ বৈরাগী। এ সময় মোটরসাইকেলযোগে আসা দুর্বৃত্তরা তাকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি করে। মাথায় গুলিবিদ্ধ হয়ে রানা প্রতাপ ঘটনাস্থলেই মারা যান। ঘটনাস্থল থেকে ৭টি গুলির খোসা জব্দ করা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডের কারণ ও জড়িতদের পরিচয় জানতে মাঠে নেমেছে পুলিশ। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন বলে তিনি জানিয়েছেন।
এই নিয়ে গত দুই দিনে যশোর জেলায় সন্ত্রাসীদের গুলিতে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
এর আগে শনিবার (৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় যশোর শহরের শংকরপুর ইসহাক সড়কে সাবেক কমিশনার শাহেদ হোসেন নয়নের অফিসের সামনে চলন্ত মোটরসাইকেল থেকে বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেন (৫০)-এর মাথায় গুলি করে হত্যা করা হয়। পুলিশ ঘটনার সাথে জড়িত নিহতের জামাইসহ দুইজনকে আটক করেছে।
বাবর/যশোর
গরু ও অস্ত্রসহ কুমিল্লায় আন্তঃজেলা ডাকাত চক্রের ৪ জন আটক
কুমিল্লাসহ আশপাশের কয়েকটি জেলায় সাম্প্রতিক সময়ে ধারাবাহিকভাবে সংঘটিত গরু চুরি ও ডাকাতির ঘটনায় আন্তঃজেলা চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গরু ও অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। সোমবার (৫ জানুয়ারি) ভোরে সদর দক্ষিণ উপজেলার জাঙ্গালিয়া এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা হলেন— কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার ফাইবুল মাহমুদ ওরফে সিফাত (১৯), নোয়াখালীর সেনবাগ উপজেলার মো. বেলাল (৪২), মো. নুর নবী ওরফে সুমন (২৫) এবং গাজীপুর জেলার টঙ্গী পশ্চিম এলাকার মো. রাহাত রাজু (২৮)।
অভিযানে ৮টি চোরাই গরু, চুরির কাজে ব্যবহৃত একটি পিকআপ ভ্যান, একটি দেশীয় তৈরি এলজি, দুই রাউন্ড কার্তুজ, লোহার কাটার, হাসুয়া, কুড়াল, লোহার রড, চাপাতি এবং সংকেত প্রদানের কাজে ব্যবহৃত দুইটি রকেট প্যারাসুট ফ্লেয়ার উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ জানায়, কুমিল্লার প্রান্তিক এলাকা ছাড়াও ফেনী, নোয়াখালী ও আশপাশের জেলাগুলোতে গরু চুরি ও ডাকাতির ধরন একই রকম হওয়ায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে নজরে নেয় জেলা পুলিশ। পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানের নির্দেশনায় জেলার বিভিন্ন থানা এলাকায় গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানো হয় এবং গুরুত্বপূর্ণ সড়কে চেকপোস্ট ও টহল জোরদার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তারকৃত আসামিরা চান্দিনা ও লাকসাম থানাধীন এলাকায় সংঘটিত একাধিক গরু ডাকাতির ঘটনায় নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, তাদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং পূর্ববর্তী অপরাধ ইতিহাস যাচাই করা হচ্ছে। চক্রের অন্যান্য সদস্যদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
এ বিষয়ে কুমিল্লা ডিবি পুলিশের অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. শামসুল আলম শাহ্ বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে আমরা এই সংঘবদ্ধ চক্রটির গতিবিধি নজরে রেখেছিলাম। তারা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কসহ কুমিল্লা, ফেনী ও নোয়াখালী অঞ্চলে পরিকল্পিতভাবে গরু চুরি ও ডাকাতি করত। জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আমাদের এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
20
নাঙ্গলকোট প্রতিনিধি:-
কুমিল্লা ১০ আসনে ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়পত্র বৈধ: বাতিল-২
কুমিল্লা-১০ (নাঙ্গলকোট-লালমাই ) সংসদীয় আসনে মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই কার্যক্রম শনিবার জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ে সম্পন্ন হয়েছে। জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা মুঃ রেজা হাসান বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও স্বতন্ত্র ৯ জন প্রার্থীর মধ্যে ৭ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন এবং ২ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
জানা যায়, বৈধ ঘোষণাকৃত প্রার্থীরা হলেন, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পি মনোনীত প্রার্থী সবেক সংসদ সদস্য আলহাজ্ব আবদুল গফুর ভূঁইয়া, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত প্রার্থী মাওলানা মুহাম্মদ ইয়াছিন আরাফাত, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ মনোনীত প্রার্থী মোঃ শামছুদ্দোহা আশরাফী, গণঅধিকার পরিষদ (জিওপি) প্রার্থী রমিজ বিন আরিফ, আম জনতার দল প্রার্থী মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান, বাংলাদেশ কংগ্রেস প্রার্থী হাছান আহম্মেদ ও বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক মুক্তিজোট (মুক্তিজোট) প্রার্থী কাজি নুরে আলম ছিদ্দিকি।
বাতিলকৃত প্রার্থীরা হলেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোস্তফা সাজ্জাদ হাসান ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বি এন পির নামে মনোনয়নপত্র দাখিল করা বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোঃ মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়া।
সংসদীয় আসনের মোট ভোটারের শতকরা এক ভাগ ভোটারের স্বাক্ষরে গড়মিল থাকায় স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ মোস্তফা সাজ্জাদ হাসানের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়। তাছাড়া বিএনপির মনোনীত প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করে দলীয় মনোনয়নের চিঠি প্রদান না করায় এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের ঋণ সংক্রান্ত সি আই বি রিপোর্টে তার প্রতিষ্ঠান জমজম কার এন্ড অটো মোবাইলের পরিচালক হিসেবে ঋণ খেলাপি হওয়ায় মোঃ মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়।
নাঙ্গলকোট উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা সমাজসেবা কার্যালয়ের আয়োজনে " প্রযুক্তি ও মমতায় , কল্যাণ ও সমতায় আস্থা সমাজসেবা" এ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় সমাজসেবা দিবস উদযাপন উপলক্ষে রেলি ও আলোচনা সভা গতকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হয়েছে। উপজেলা সমাজসেবা অফিসার মোঃ রাশেদ মিয়াজীর সভাপতিত্বে উপজেলা পরিষদ কনফারেন্স হল রুমে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার লিজা আক্তার বিথী।
বক্তব্য রাখেন, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মিল্টন চাকমা, উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মোঃ জাকারিয়া, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোঃ উজ্জ্বল হোসেন, নাঙ্গলকোট পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-৪ ডি জি এম মোক্তার হোসেন, মাহিনী জামেয়া ইসলামীয়া দারুল কোরআন মাহিনী প্রতিষ্ঠাতা মুফতি অলিউল্লাহ, বাম মোবারকপুর এতিমখানা অধ্যক্ষ মাওলানা মোবারক উদ্দিন মোবারকপুরী, সমাজসেবা অফিসের উচ্চমান সহকারী আব্দুল মমিন চৌধুরী, আল জমিয়া আল ইসলামিয়া ফয়জুল উলুম সিঙ্গুরিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানার ছাত্র রহমত উল্লাহ।
মোনাজাত পরিচালনা করেন, নাওগোদা ইসলামিয়া মাদ্রাসা ও এতিমখানা অধ্যক্ষ মাওলানা সোলায়মান মীর।
এ সময় দুজন প্রতিবন্ধীর মাঝে সুবর্ণ কার্ড প্রদান করা হয়েছে । তারস হলেন, মামুন মিয়া ও আরিফুর হক মিলন।
জিসাস,চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখার কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন জিসাস,চট্টগ্রাম উত্তর জেলা শাখা কর্তৃক আয়োজিত কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে হাটহাজারী আল জামান হোটেলে উক্ত কর্মী সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিসাস, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সম্মানিত সহ-সভাপতি সৈয়দ নাজিম উদ্দিন এবং সভাপতিত্ব করেন জিসাস, চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সম্মানিত সভাপতি মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন।উক্ত কর্মী সভায় সঞ্চালনা করেন মোহাম্মদ রফিক।বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জিসাস,চট্টগ্রাম উত্তর জেলার সম্মানিত সহ-সভাপতি মোহাম্মদ টিকলো তালুকদার, সহ-সভাপতি মোঃ জাহাঙ্গীর আলম,সহ-সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন সোনালী,যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ নুরুন্নবী, স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক অর্জুন দে,সহ-সাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডাক্তার মোহাম্মদ কামরুল হুদা, কৃষি বিষয়ক সম্পাদক মোঃ শাহাবুদ্দিন,উক্ত কর্মী সভায় হাটহাজারী উপজেলা অসংখ্য নেতৃবৃন্দ উপস্থিতিতে হাটহাজারী উপজেলার আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়।উক্ত আংশিক কমিটিতে সভাপতি হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মোহাম্মদ মুজাহিদুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মো:গাজী আল শাকিব এবং সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আল আমিন নবনির্বাচিত কমিটির উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সম্মানিত সভাপতি মুহাম্মদ মঈন উদ্দীন তিনি বলেন শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ও দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আদর্শকে লালন করে তারুণ্যের অহংকার জনাব তারেক রহমানের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষে কাজ করার আহব্বান জানিয়েছেন । এবং উক্ত আংশিক কমিটি আগামী ১৫ দিনের মধ্যে পূর্ণাঙ্গ করে জেলাতে প্রেরণ করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করেন।
পোমরা হিলাগাজী পাড়া হামিদুল্লাহ শাহ্ (রহ:) তরুণ সংঘের মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত
_____________________________________
মোহাম্মদ জসিম, রাঙ্গুনিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি:
পবিত্র ফাতেহায়ে ইয়াজদাহুম উদযাপন উপলক্ষে পোমরা হিলাগাজী পাড়া হামিদুল্লাহ শাহ্ (রহ:) তরুণ সংঘের আয়োজনে এবং এলাকাবাসী ও প্রবাসীদের সহযোগিতায় আজিমুশশান মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (৮ অক্টোবর) পোমরা হিলাগাজী পাড়া ঈদগাহ্ মাঠে আয়োজিত মাহফিলের উদ্বোধক ছিলেন হিলাগাজী পাড়া হামিদুল্লাহ শাহ (রাঃ) তরুণ সংঘের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোহাম্মদ সেলিম শাহ।
হিলাগাজী পাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির সভাপতি আলহাজ্ব মাওলানা মোহাম্মদ নুরুল আমিন তালুকদারের সভাপতিত্বে প্রধান বক্তা ছিলেন, চান্দগাঁও নজিরীয়া নঈমীয়া মাহমুদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক আলহাজ্ব আল্লামা নুর মোহাম্মদ আল কাদেরী।
এতে প্রধান ওয়ায়েজ ছিলেন, চান্দগাঁও নজিরীয়া নঈমীয়া মাহমুদিয়া ফাজিল মাদ্রাসার আরবি প্রভাষক আলহাজ্ব আল্লামা খাইরুল আমিন চিশতি।
এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন, গোমরা জামেউল উলুম ফাযিল (ডিগ্রী) মাদ্রাসার সিনিয়র আরবী শিক্ষক আলহাজ্ব মাওলানা মো. আবদুল কাদের, আছুয়া পাড়া ও জমাদার বাড়ী জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মুহাম্মদ আবুল বশর আল কাদেরী, সরফভাটা ভালুকিয়া তৈয়্যবিয়া সুন্নিয়া এবতেদায়ী মাদরাসার সুপার মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন আশরাফী, হযরত হাঁছি ফকির (রহঃ) সুন্নিয়া সিনিয়র আলিম মাদ্রাসার সিনিয়র আরবী শিক্ষক মাওলানা মুহাম্মদ জাহেদুল ইসলাম রেজা সহ প্রমুখ।
ডেলিভারির পর সাইটে ক্লায়েন্ট কর্তৃক যেকোনো ধরণের পরিবর্তন, মুছে ফেলা বা অযাচিত সম্পাদনার ফলে যদি সাইটে কোনো সমস্যা বা ত্রুটি সৃষ্টি হয়, সে ক্ষেত্রে আমাদের কোম্পানি সর্বোচ্চ একবারই তা সংশোধন করবে।
আমরা ইতিমধ্যে একই সমস্যার সমাধান দুইবার প্রদান করেছি। ভবিষ্যতে একই ধরণের সমস্যা পুনরায় দেখা দিলে তা আর আমাদের কোম্পানির দায়ভার হিসেবে গণ্য হবে না। প্রয়োজনে অতিরিক্ত সার্ভিস চার্জ প্রযোজ্য হতে পারে।
এছাড়াও, আমরা যেসব রেডি সাইট বা ছোট প্রজেক্ট সরবরাহ করি, সেগুলোর জন্য পরবর্তীতে এই ধরণের কোনো টেকনিক্যাল সাপোর্ট বা সংশোধনের দায়ভার আমাদের নয়। রেডি সাইট একটি পূর্ণাঙ্গ প্রস্তুত পণ্য হিসেবে ক্লায়েন্টকে সরবরাহ করা হয়, এবং এ ধরনের প্রজেক্টে পরবর্তীতে কোনো সাপোর্ট প্রদান কোম্পানির নীতিমালার মধ্যে পড়ে না।
এই বিষয়ে আমাদের ডেস্ক প্রতিনিধি ক্লায়েন্টকে কাজ নেওয়ার পূর্বেই পরিষ্কারভাবে অবহিত করেছিলেন এবং সম্মতির ভিত্তিতেই প্রজেক্টটি সম্পন্ন হয়েছে।
এই নিয়মাবলী ক্লায়েন্ট এবং ডেভেলপার উভয়ের স্বার্থেই প্রযোজ্য, যাতে ভবিষ্যতে অনাকাঙ্ক্ষিত ভুল বুঝাবুঝি ও সমস্যার সৃষ্টি না হয়।
" দক্ষ যুব গড়বে দেশ, বৈষম্যহীন বাংলাদেশ " এই প্রতিপাদ্য নিয়ে মাগুরায় জাতীয় যুব দিবস উদযাপন হয়। দিবসটি উপলক্ষে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যালয়ে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
শুক্রবার (১ লা নভেম্বর) যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এর কার্যালয় থেকে সকাল ১০ টায় র্যালি বের হয়ে মাগুরা বাস টার্মিনাল মোড় প্রদক্ষিণ করে পুনরায় যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর এর কার্যালয়ে র্যালিটি শেষে অফিস সম্মেলন কক্ষে আলোচনা সভার আয়াজন করা হয়। সম্মেলন কক্ষে সোশ্যাল ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন ( এসডিএফ) মাগুরা জেলার সহযোগিতায় এবং জেলা প্রশাসন ও যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের আয়োজনে মাগুরা যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উপপরিচালক জনাব মো. ইলিয়াসুর রহমান (অ:দ:) এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক জনাব মো. আব্দুল কাদের (সার্বিক)। বিশেষ অতিথি ছিলেন সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার জনাব ইসরাত জাহান ও স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন এইচ. এম. নুরুজ্জামান ডেপুটি কোর্ডিনেটর, যুব প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, মাগুরা বিভিন্ন অধিদপ্তরের উপপরিচালকবৃন্দ সহ অতিথি হিসেবে আর উপস্থিত ছিলেন এসডিএফ মাগুরা জেলার জেলা ব্যবস্থাপক মাহমুদ হাসান, জেলা কর্মকর্তা শরফুদ্দিন সাগর, অনুপ কুমার মন্ডল, প্রতাপ কুমার দাস, নাজমুল হোসেন , মো. রুবেল হোসেন ও ক্লাস্টার কর্মকর্তা কার্তিক কুমার সাহা, মো. আরিফুল ইসলাম, জয়দেব ভক্ত , সিএফ মহরম হোসেন সহ বিভিন্ন গ্রাম সমিতির যুব সদস্যবৃন্দ।
এছাড়াও বিভিন্ন সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাবৃন্দ এ সময় উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভায় অতিথিরা জাতীয় যুব দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে যুবদের অগ্রগতি পর্যালোচনা করেন। অতিথি বক্তব্যে জেলা কর্মকর্তা ( যুব ও কর্মসংস্থান) শরফুদ্দিন সাগর এসডিএফ মাগুরা জেলার যুব সদস্যদের প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থান এর তথ্য উপাত্ত তুলে ধরেন। এসডিএফ মাগুরা জেলায় মোট ৯০৩ জন যুব সদস্যকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে যাহার মধ্যে ৫৭৩ জন আত্ম কর্মসংস্থান ও উদ্দোক্তা হিসেবে বিভিন্ন স্থানে কর্মরত রয়েছেন। এছাড়াও এসডিএফ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে বিদেশে কর্মরত রয়েছেন ২৭ জন যুব সদস্য। লক্ষ্যমাত্রা অনুসারে আগামী ডিসেম্বর ২০২৪ এর মধ্যে মাগুরা জেলায় ১৪০০ যুব সদস্যদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।
এছাড়াও ৪৮ জন মেধাবী শিক্ষার্থীদের শিক্ষা বৃত্তি সহ বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে লিংকেজ তৈরি মাধ্যমে এসডিএফ মাগুরা জেলা দক্ষ যুব গঠনে বিশেষ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছে। অনুষ্ঠান শেষে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে শহিদের স্মরণে বৃক্ষ রোপণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
গ্রামবাসীর মুষ্টি চাল ও স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে দুই কিলোমিটার রাস্তার সংস্কারকাজ
নাটোরের নলডাঙ্গা উপজেলায় দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর করতে নিজেদের অর্থ ও স্বেচ্ছাশ্রমে প্রায় দুই কিলোমিটার কাঁচা রাস্তার সংস্কারকাজ করছেন একটি গ্রামের বাসিন্দারা। গত বুধবার থেকে এই কাজ শুরু হয়েছে।গ্রামের প্রতিটি বাড়ি থেকে মুষ্টির চাল সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় তহবিল গঠন করা হয়েছে।
উপজেলার বিপ্রবেলঘরিয়া ইউনিয়নের ওই গ্রামের নাম কৃষ্ণপুরদীঘা। গ্রামটির ইক্ষু ক্রয়কেন্দ্র থেকে রাস্তাটি শুরু হয়ে মোমিনপুর গ্রামের প্রধান সড়কের সঙ্গে মিলেছে। মোমিনপুর-কৃষ্ণপুরদীঘা রাস্তাটি দিয়ে মোমিনপুর হাট, স্কুল-মাদ্রাসা ও কবরস্থানে যাতায়াত করেন কৃষ্ণপুরদীঘা, আসামপাড়া, মধ্যপাড়া, কবিরাজপাড়া ও মোমিনপুর গ্রামের বাসিন্দারা। কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হলে রাস্তাটি চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে যানবাহন চলাচল তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটে চলাও মুশকিল হয়ে পড়ে।
স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সংস্কারকাজ শুরুর দুদিন আগেও এ কাঁচা রাস্তাটি যাতায়াতের অনুপযোগী ছিল। চলতি বর্ষায় দুই কিলোমিটার দীর্ঘ রাস্তাটি কাদায় ভরে উঠেছিল। কাদায় ঢেকে থাকা খানা-খন্দে প্রায়ই ঘটত দুর্ঘটনা। এমনকি দুর্ঘটনায় মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। কিন্তু রাস্তাটি সংস্কারে তেমন উদ্যোগ নেয়নি সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।
এলাকার বাসিন্দারা অসুস্থ হলে তাঁকে হাসপাতালে নিতে বেশ ভোগান্তিতে পোহাতে হয়। সম্প্রতি কৃষ্ণপুরদীঘা গ্রামের রুমা বেগম নামের এক গৃহবধূ অসুস্থ হয়ে পড়েন। খারাপ রাস্তার কারণে দ্রুত তাঁকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া সম্ভব হয়নি। পথেই তাঁর মৃত্যু হয়। এ ঘটনার পর বাসিন্দারা আলোচনার মাধ্যমে নিজেরাই রাস্তাটি সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেন। এ জন্য রাস্তা মেরামত তহবিলও গঠন করা হয়। তাঁরা গ্রামটির প্রতিটি বাড়ি থেকে চালের মুষ্টি তুলে তহবিলে জমা করেন। তবে অনেকে নগদ টাকাও জমা করেছেন। যাঁরা টাকা ও চাল দিতে পারেনি, তাঁরা শ্রম দিয়ে রাস্তা মেরামতে অংশ নিয়েছেন।
কৃষ্ণপুরদীঘা গ্রামের বাসিন্দা আবদুল মান্নান বলেন, চার গ্রামের মানুষ মারা গেলে তাঁদের মরদেহ এই রাস্তা দিয়ে কবরস্থানে নেওয়া হয়। হাটবাজারে যাতায়াতের জন্যও রাস্তাটি একমাত্র ভরসা। অথচ প্রশাসন দীর্ঘদিনেও রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নেয়নি। তাই নিজেরাই সংস্কার কাজে হাত দিয়েছেন।
এ বিষয়ে স্থানীয় বিপ্রবেলঘরিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য হালিমা খাতুন বলেন, ‘স্থানীয় সরকার প্রকৌশল বিভাগে যোগাযোগ করেও আমি রাস্তাটি পাকা করতে পারিনি। তাই গ্রামবাসীকে নিয়ে নিজেরাই রাস্তাটি সংস্কারে নেমেছি। আমরা আপাতত ইটভাটার পোড়া মাটি (সুরকি) এনে রাস্তায় ঢেলে রাস্তাটি যাতায়াত উপযোগী করছি।’
আরেক ইউপি সদস্য মারুফ হোসেন বলেন, সংস্কারকাজে গ্রামবাসীর মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ দেখা যাচ্ছে। যাঁরা সরাসরি শ্রম দিচ্ছেন, তাঁদের জন্য লোকজন খিচুড়ি রান্না করে খাওয়াচ্ছেন।’
গ্রামবাসীর কাজে অভিভূত বলে জানিয়েছেন একই ইউপি চেয়ারম্যান শাজাহান আলী। তিনি জানান, রাস্তাটি গুরুত্বপূর্ণ। গ্রামবাসীর যেটুকু কাজ করছেন, তাতে তিনি অভিভূত। রাস্তাটি পাকা করার জন্য তিনি উদ্যোগ নেবেন।
উপজেলা প্রকৌশলী অনুপ কুমার ঘোষ বলেন, তিনি রাস্তাটি সম্পর্কে তেমন কিছু জানতেন না। বিস্তারিত জেনে রাস্তাটি পাকা করার প্রকল্প নেওয়া হবে। তবে গ্রামবাসী যে কাজটি শুরু করেছেন, তা ধন্যবাদ পাওয়ার মতো।
২৮১ কি.মি. বেগে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় মিল্টন, আঘাত হানবে যেখানে
হারিকেন (ঘূর্ণিঝড়) মিল্টন আরও শক্তি সঞ্চয় করেছে। এখন এটি ক্যাটাগরি ফাইভ ঝড়ে পরিণত হয়েছে। শক্তিশালী হওয়ার পর এটি এখন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা উপকূলের দিকে অগ্রসর হচ্ছে। মার্কিন ন্যাশনাল হারিকেন সেন্টারের (এনএইচসি) বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে বিবিসি।
এনএইচসি বলছে, মিল্টন ফ্লোরিডার দিকে ধেয়ে যাচ্ছে। এর ঝড়ো বাতাসের গতিবেগ ২৮১ কিলোমিটার রেকর্ড করা হয়েছে। বুধবার রাতে বা বৃহস্পতিবার ভোরে এটি উপকূলে আছড়ে পড়তে পারে।
ন্যাশনাল ওয়েদার সার্ভিসের পরিচালক কেন গ্রাহাম বলেছেন, মিল্টন রেকর্ড ভাঙা গতিতে ক্যাটাগরি ফাইভ হারিকেনে পরিণত হয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় এর বাতাসের গতিবেগ ১৪৮ কিলোমিটার/ঘণ্টা পর্যন্ত বেড়েছে।
ঘূর্ণিঝড় সামনে রেখে ফ্লোরিডিবাসীকে সবচেয়ে বড় উচ্ছেদ প্রচেষ্টার জন্য প্রস্তুত হতে বলা হয়েছে। রাজ্যের গভর্নর রন ডিস্যান্টিস সতর্ক করে বলেছেন, সাধারণ মানুষকে সরিয়ে নেয়ার সময় দ্রুত ফুরিয়ে আসছে। সোমবার বিকেলে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, আমাদের ধরে নিতে হবে এটি একটি দানব আকারে আঘাত হানতে চলেছে।
মাত্র ১০ দিন আগেই ভয়াবহ হারিকেন হেলেন দক্ষিণ-পূর্ব যুক্তরাষ্ট্রে তাণ্ডব চালিয়েছে। ২০০৫ সালে আঘাত হানা হারিকেন ক্যাটরিনার পর থেকে মার্কিন মূল ভূখণ্ডের সবচেয়ে প্রাণঘাতী ঝড় এটি। এতে অন্তত ২২৫ জন মানুষ নিহত হন। শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন। শুধু ফ্লোরিডায় অন্তত ১৪ জন মারা গেছেন।
ওই হারিকেনের তাণ্ডবে প্রাণহানির পাশাপাশি বিগ বেন্ড ও আশপাশের এলাকার অসংখ্য গাছপালা ও বিদ্যুতের খুঁটি উপড়ে পড়ে। একইসঙ্গে বহু ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শত শত রাস্তা ডুবে যায়।